সরু রাস্তা দিয়ে যেতে গিয়ে বেঁকের মাথায় ওভারটেক করতেই খাদে পড়ে গেল যাত্রী সহ বাস ঘটলো বিপত্তি, তুমুল ভিডিও ভাইরাল

0

পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু রাস্তা যা এক কথায় বেশ দুর্গম এবং বিপদজনক।বিশেষত পাহাড়ি এলাকা রাস্তাগুলি ভীষণ বিপদ সংকুল এবং উঁচু-নিচু থাকে।

বাস বা কোন গাড়ী পাহাড়ের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অধিকাংশ সময় দুর্ঘটনা ঘটায়। মৃত্যু হয় প্রচুর মানুষের। তারপরও সেসব রাস্তা দিয়ে যাত্রী বোঝাই গাড়ি প্রতিদিন চলাচল করছে।

রাস্তাগুলোর প্রতি পদে ওঁৎ পেতে থাকে কত শত বিপদ! প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনাও। পাহাড়, জঙ্গল, মরুভূমি, বরফ, গিরিখাদের ভিতর দিয়ে এসব দুর্গম রাস্তা পাড়ি দিয়েছে এক শহর থেকে অন্য শহরে।

তেমনি কয়েকটি দুর্গম ব্যস্ততম রাস্তার খোঁজ পাওয়া গেছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। বেশ কিছুদিন আগে এরকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে,রাতভর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলার পর পাহাড় কেটে জাতীয় সড়ক নির্মাণ করলেন পূর্ত দপ্তরের কর্মীরা৷ লাগাতার কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর খুলে দেওয়া হয়।

দশ নম্বর জাতীয় সড়ক৷ আপাতত, একমুখী যান চলাচলের ব্যবস্থা করে খুলে দেওয়া হয়েছে ধসে বিধ্বস্ত সিকিমের লাইফ লাইন দশ নম্বর জাতীয় সড়ক৷

কালিম্পংয়ের রম্ভি ও তিস্তাবাজারের মাঝে ২৯ মাইলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ধস নামে। তার ফলে জাতীয় সড়কের ৮০ শতাংশ তিস্তার গর্ভে চলে যায়৷ ফলে ওই পথে যান চলাচল বন্ধ৷

এর জেরে বিপাকে পড়েন পর্যটকরা৷ আটকে পড়া পর্যটকেরা অনেকেই ঘুরপথে শিলিগুড়িতে নামেন৷ সেখানে বহুবার অনেককে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে প্রাণ দিতে হয়েছে’।

মাত্র দশ-এগারো ফুট চওড়া রাস্তাটির খোলা দিকটিতে নেই কোনো গার্ড রেলিং। দুর্ভাগ্যবশত যদি কেউ একবার গড়িয়ে নিচে পড়েই যায়, তবে তার নিশানা খুঁজে পাওয়া সম্ভব না।

বর্ষাকালে সৃষ্টি হয় সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে বিকেল থেকে রাত জেগে কাজ করেন পূর্ত দপ্তরের কর্মীরা৷

পূর্ত বিভাগের সহকারী বস্তূকার (অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার) উত্তম প্রধান বলেন, ‘‘জাতীয় সড়কের অন্তত ২০ মিটার অংশ ধসে তিস্তায় ভেসে গিয়েছে৷

এখানে তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ রয়েছে৷ রাস্তার অন্যদিকে পাহাড়৷ ফলে, পাহাড় কাটা ছাড়া রাস্তা নির্মাণ করার আর কোনও উপায় ছিল না৷

ফলে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করতে হয়েছে পূর্ত দপ্তরের কর্মীরা৷ তবে, রাস্তা খুলে দিলেও আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে৷ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,

রাস্তা সংস্কারের জন্য পালা করে দু’ঘণ্টা করে করা কাজ চলবে৷ ওই সময় রাস্তা বন্ধ থাকবে। তাছাড়া, ওই রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে৷

শুধু ১০ নম্বর জাতীয় সড়কেই নয়, ধসে বিধ্বস্ত ৩১-সি জাতীয় সড়কেও চলছে নজরদারি৷ সেবকের কাছে মংপংয়ে ৩১-সি জাতীয় সড়কের একাংশ ধসে গিয়ে বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে৷ এখানেও তিন দিন আগে ধস নেমে যান চলাচল ব্যাহত হয়৷