হঠাৎ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এলো এক বিরল প্রজাতির দুই মুখো বিষধর সাপ, ঘটলো বিপত্তি, ঝড়ের গতিতে ভিডিও ভাইরাল

0

সাপ নাম শুনলেই আমাদের প্রায় সকলের পিলে চমকে ওঠে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সাপও বিপদ না বুঝলে কাউকে আক্রমণ করে না।

সাপের গায়ে কোন রকম আঘাত লাগলে বা সে যদি বিপদ অনুভব করে তবেই দংশন করতে যায়।সাপ দেখলে আমাদের অনেকেরই গা শিরশির করে ওঠে।

সাপ মানেই বিষাক্ত, এক ছোবলে যার প্রাণ ছিনিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে – এমন একটা ধারণা আমাদের সবার মনেই বসে গিয়েছে। আসলে সাপের প্রতি ভয়ের কারণ কেবল তার প্রাণঘাতী বিষ নয়।

তার চিত্রবিচিত্র নকশা আঁকা শরীর, এঁকেবেঁকে চলা, চেরা জিভ- সব মিলে এক রহস্যময় ভয়াল ছবি ফুটে ওঠা। অথচ পৃথিবীতে যত প্রজাতির সাপের দেখা মেলে তার একটা বিরাট অংশই বিষহীন।

তবুও মানুষে ভয় পায়। সাপুড়ে ছাড়া সাপকে ভয় পায় না এমন মানুষ খুব কমই আছে বোধহয় পৃথিবীতে। সাধারণত বনে জঙ্গলেই এদের দেখা যায় বেশি।

কিন্তু ভাবুন তো দেখি যদি সেই সাপকে ঘরের মধ্যে দেখা যায় তাহলে কেমন লাগে? সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

দু’মুখো সাপ (two-headed snake) নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত বাংলার গ্রামে গঞ্জে। শারীরিক ত্রুটিযুক্ত এমনি এক সাপ সম্প্রতি উদ্ধার হয়েছে মেদিনীপুর শহরের একটি গ্রামে।

কিন্তু কুসংস্কারে বিশ্বাসী মানুষদের জোরাজুরিতে জোড়া মাথার সাপটিকে উদ্ধার করতে অক্ষম বন বিভাগ। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে,

একটা বৃহদাকারের দুমুখী সাপ রাস্তার মাঝখানে ফণা তুলে বসে আছে। প্রাণিবিজ্ঞানী সোমা চক্রবর্তীর মতে, দুই মাথাওয়ালা এই সাপ ন্যাজা কটিয়া প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।

“এই প্রজাতির সাপকে বাংলায় খড়িশ সাপও বলা হয়ে থাকে, হিন্দিতে কেউটে বলা হয়। আবার এই সাপেরই বিষ থাকলে সেটিকে কাল নাগ নামে ডাকা হয়।

এই ক্ষেত্রে কোনও পৌরাণিক বিষয় নেই। সাপের দু’টি মাথা হওয়ার পিছনে অনেকগুলিই কারণ রয়েছে। হতে পারে ভ্রূণের বিভাজনের সময় মাথা দু’টো হয়ে গিয়েছে।

আবার কিছু পরিবেশগত কারণেও দু’মুখো হওয়া সম্ভব,” বলেন সোমা চক্রবর্তী। আর বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সাপ বেশ বিরল।

ধীর গতিতে চলাফেরা করায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বড় হওয়ার আগেই শিকার হয়ে যায় এই ধরনের দুই মাথার সাপ। এত বড় অবস্থায় এই ধরনের দুই মাথার সাপ পাওয়া আশ্চর্যজনক ঘটনা বলে মত বিশেষজ্ঞদের।