আর লোভ নয়, আদর্শে উ’দ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে পা রাখুক নতুন প্রজন্ম

0

“দলে যোগ দিন শু’ধুমা’ত্র নতুন প্রজ’ন্মকে নতুন আ’দর্শে উ’দ্বু’দ্ধ করতে, কোন লোভের জন্য দলে যোগ দিয়েন না” মন্ত’ব্য ব্র’ততী বন্দোপা’ধ্যায়ের।

আজ’কাল’কার র’ঙিন রা’জনীতি যেখানে স্কু’ল-ক’লেজ সম’স্ত জায়’গায় যদি সি’ট পেতে হয় তাহলে কদর করতে হবে রাজ’নীতি’কে।

ব্রত’তী বন্দো’পাধ্যা’য়ের যিনি রা’জনৈ’তিক সম্পর্কে কি’ছু কথা তুলে ধরে যা হয়তো কারোর কারোর মনে ছুঁ’য়ে যেতেও পারে।

তার কথা বলাতে উ’ঠে এ’লো তার ছোট’বেলা’কার সেই সময় যখন একটু একটু করে তিনি রাজ’নীতি’তে প্রবে’শ করছেন, রা’জ’নীতি সম্প’র্কে আ’স্তে আ’স্তে ধারনা জ’ন্মে ছিলেন।

ছোট’বেলা থেকেই তিনি বেশি’রভাগ খব’রা-খ’বর শু’নতেন রেডি’ওতে। এই to কার’ণটাও ছিল তার পরিবার কা’রণ তার মা-বাবা ভো’ট সং’ক্রা’ন্ত নানান খ’বরা-খব’র সবস’ময়ই রাখ’তেন,

এবং তার বাড়িতে থাকতো তে’রে’ঙ্গা পতা’কা ঠাকু’রদার আমল থেকে বাবার সময় সবসময় সেই পতা’কা ছিল এবং বাড়ির সকলেই ছিল ডান’পন্থী। তার বাড়ির প্রত্যে’কেই ই’ন্দি’রা গা’ন্ধীর ভী’ষ’ণ ভ’ক্ত ছিল।

একদিকে যখন প্রধা’নম’ন্ত্রী সম্প’র্কে নানা’ন সমা’লো’চনার ঝ’ড় উঠেছিল চারিদিকে সেই সময় তার বাড়ি’টাই এক’মাত্র ছিল যেখানে হয়তো সমা’লোচ’নাটা প্র’ভাব ফেলতে পারেনি।

কং’গ্রেস যদি জি’ততো তাহলে ঘরের পরিবেশটাই যেন তাদের বদলে যেত, একটা খুশি’র প্র’ভা’ব দেখা যেত। ধী’রে ধী’রে যখন তিনি বড়ো হলেন, তারপরে রাজ’নী’তি স’ম্পর্কে ধ্যা’ন-ধার’ণা হল।

তিনি একটি সর’কারি আবা’সনে থাক’তেন। অং’কের ছিলেন শি’ক্ষক অনি’র্বা’ণদা এবং অনি’র্বাণ’দা ছিলেন প্রেসি’ডেন্সি বিশ্ব’বিদ্যা’লয়ের একজন ব্রি’লি’য়ান্ট স্টু’ডেন্ট।

তার আলো’চনায় উঠে আসত রা’জনী’তি সম্পর্কে নানান কথা এবং ক্লা’সের মধ্যেই তিনি রাজ’নীতি স’ম্পর্কে নানান আ’লোচনা করতেন এবং যার পরেই রাজ’নীতি সম্পর্কে কি’ছুটা ধারনা জ’ন্মে ছিল তার।

সেই সময়ে পুলি’শের নজরে ছিল নক’শা’লরা। অ’ঙ্কের শি’ক্ষক অনি’র্বাণ’দাকে পু’লিশ ধরে নিয়ে গেছিল। এরপর যখন বিশ্ব’বিদ্যা’ল’য়ে তিনি প্র’বেশ করলেন সেখানেও তার রা’জ’নৈ’তিক পরিবেশ ছিল না।

মানে কলেজে সি’ট পেতে হতো তাহলে মেধার ওপর ভিত্তি ক’রেই পেতে হত। সকলেই ব্র’ততী বন্দো’পাধ্যা’য়কে সকলে চি’নত একজন বা’চিক শি’ল্পী হিসেবে,

যার জন্যই বিশ্ব’বিদ্যাল’য়ের জে’না’রেল সে’ক্রে’টারি হিসেবে তাকে নি’যু’ক্ত করেছিলেন এবং সকল ছাত্র ছাত্রীরা সহ অনেক ক’লেজ শি’ক্ষক’রা তাকে ভী’ষণ ভালো’বাস’তো যার জ’ন্যেই ভো’টের দ্বারা নি’যুক্ত হতে তার কোন অসু’বিধা হয়নি।

কি’ন্তু অব’শ্যই সেটা রাজ’নৈতিক দল হিসেবে নয় একজন নির্দ’ল প্রা’র্থী হিসেবে তাকে ভো’ট দিত সকলে। একু’শের শত’কে যে ভো’টের কথা হ’চ্ছে তাতে ব্রত’তী বন্দ্যো”পাধ্যা’য়ের কোন আক’র্ষন নেই।

নানা ঘটনা’গুলি শুন’তে শুন’তে শু’ধু ভাবে এবং মাঝে মাঝে তার ক্লা’ন্ত লাগে। ব্রত’তী বন্দো’পা’ধ্যায় বলেন,      “রাজ’নীতির অ’র্থ হল রা’জার নী’তি এবং যেটা হবে জগ’তের শ্রে’ষ্ঠ নী’তি। সকলে বলে রাজ’নীতি না’কি গন্ড’গোল,

কি’ন্তু সত্যিই কি রা’জ’নীতি কোন গন্ড’গোল? রাজ’নী’তি নিয়ে খেলা হয়, দুর্নী’তি হয় সেটা মানে কখনোই একজন রা’জার নী’তি হতে পারেনা।

আশা রাখছি যে আ’গা’মী নির্বা’চন সু’ষ্ঠু’ভাবে হবে এবং ফিরিয়ে আনবে পুর’নো সুন্দর পরি’বেশ। লোভের জন্য নয় প্রজ’ন্ম’কে রা’জনীতি স’ম্প’র্কে বি’শ্বাসী করে তো’লার জন্য কি’ভাবে রা’জনী’তি করতে হবে।

রা’জনী’তির যাকে অনু’ভব করতে হবে। যে এই দ’লে পা দেবেন তাকে রা’জ’নী’তির আক্ষ’রিক অ’র্থ বুঝতে হবে তাহলেই হয়তো রা’জ’নী’তি তার প্র’কৃত অ’র্থ খুঁ’জে পাবে একদিন”।