বাবার বয়সী কার সঙ্গে প্রেমে মাতলেন রাজনন্দিনী, অবশেষে এই জল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী

0

কলকাতার একজন গুণী পরিচালক, অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও অর্থনীতিবিদ হলেন সৃজিত মুখার্জি । ২০১০ সালে প্রথম চলচ্চিত্র অটোগ্রাফ পরিচালনার পরপরই তিনি আলোচনায় আসেন। তিনি ভারতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলাকে বিয়ে করেন।

মিথিলার সঙ্গে সংসার বাঁধার আগে অনেকের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে সৃজিতের। ২০১৮ সালে ‘এক যে ছিল রাজা’ সিনেমা নির্মাণ করেন সৃজিত। এতে যীশু সেনগুপ্তর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেত্রী ইন্দ্রানী দত্তের কন‌্যা রাজনন্দিনী পাল।সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী রাজনন্দিনী পালকে নিয়ে একসময় নানা মুখরোচক কথা ছড়িয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

যদিও এ বিষয়ে কখনো কেউ মুখ খুলেননি। টলিপাড়ার বিভিন্ন পার্টিতে প্রায়ই একসঙ্গে দেখা গেছে সৃজিত-রাজনন্দিনীকে। তারপর গুঞ্জন চাউর হয়, তারা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এ নিয়ে ফিসফাস কম হয়নি এই জুটিকে কেন্দ্র করে। যদিও বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে দেখা গেছে রাজনন্দিনীকে।

সৃজিতেরও বিয়ে হয়ে গেল-এমন প্রশ্নে এক জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমকে রাজনন্দিনী বলেন, জানি, কোন কথা নতুন করে বলতে চাইছেন। সৃজিত মুখোপাধ্যায় আর আমাকে নিয়ে যে বিতর্কের সূত্রপাত সেটা কিন্তু সংবাদমাধ্যমেরই তৈরি। আমাকে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, এটাই আমার বলার।

বয়সে সৃজিত আমার পিতৃসম। তাকে নিয়ে এর বেশি আর কিছু বলার নেই।প্রথম কাজেই ‘সৃজিত’ সম্বোধন করছেন এমন প্রশ্নে এ নায়িকা বলেন, আমি কিন্তু তাকে ‘আঙ্কেল’ বলে ডেকেছিলাম। এতে পরিচালক ক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন। শুধু সৃজিত বলে ডাকার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আমি নিজে থেকে কিছুই করিনি।

সৃজিত অনেক ছবি পরিচালনা করছেন, আপনি কোন ছবিতে? জবাবে রাজনন্দিনী বলেন, দেখুন, সৃজিত আমাকে তার ‘এক যে ছিল রাজা’ ছবির জন্য ডেকেছিলেন। যেখানে যীশু সেনগুপ্তের বিপরীতে ‘বাচ্চা বৌ’ দরকার ছিল। আমি তখন খুবই ছোটো। এখন তো আর সেই বয়সে নেই! তবে আমার উপযুক্ত চরিত্র পেলে সৃজিত আবার ডাকবেন, এটা আমি জানি।

উল্লেখ্য, ৬১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সৃজিত পরিচালিত ‘জাতিস্মর’ ছবিটি চারটি পুরস্কার জিতে নেয়। ৬২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে তার পরিচালিত ‘চতুষ্কোণ’ সিনেমাটির জন্য তিনি সেরা পরিচালক এবং সেরা চিত্রনাট্য বিভাগে পুরস্কার জিতে নেন। তার পরিচালিত রাজকাহিনী চলচ্চিত্রটি হিন্দিতে ‘বেগম জান’ শিরোনামে পুনঃনির্মিত হয়েছে যার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালান।