ভোট প্রচাররে সাধারণ মানুষের কষ্ট প্রবন হয়ে পড়েন, দুঃস্থ মেয়ের সমস্ত চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা

0

এ’কুশের বি’ধানসভা ভোটে পাখির চোখের নিশানা করে রেখেছে স’মস্ত দলই। প্র’ত্যেকেই এখন শেষ মু’হূর্তের প্র’স্তুতি সেরে ফেলায় ব্য’স্ত।

শেষ মু’হুর্তেও যতটুকু মানুষের কাছে পৌঁ’ছানো যায়, যেতে চাইছেন স’মস্ত দলই। বিভিন্ন আ’শ্বাস বাণী দিচ্ছেন মানুষদের,

তবে এবারের ভোটে সবথেকে চমকপ্র’দ বিষয় হচ্ছে তারকামেলা। টলিউ’ডের বিভিন্ন অ’ভিনেতা-অ’ভিনেত্রীরা নাম লিখিয়েছেন রা’জনৈতিক মহলে,

কেউ প’দ্মফুল শিবিরে তো কেউ তৃ’ণমূলে। তারা এতদিন সি’নেমা জগতে মানুষের অনেক আশাভরসা আ’শীর্বাদ পেয়েছেন,

এবার রা’জনৈতিক ময়দানে তারা মানুষের আ’শাভরসা ভালোবাসা আ’শীর্বাদ চাইছেন। তেমনই দেখা গেল বাঁকুড়ার প্রা’র্থী সায়ন্তিকা কে।

স্ব’নামধন্য অ’ভিনেত্রী এবার তিনি রা’জনৈতিক ময়দানে খেলা শু’রু করেছেন। বৃহ’স্পতিবার তিনি ভোট প্র’চারে বেরিয়েছিলেন।

প্র’চারে বেরিয়ে প্র’থমেই যান মহামায়া মন্দিরে, সেখানে পূ’জা দেন তারপরই তিনি বেরিয়ে পড়েন প্র’য়াত কাশিনাথ মি’শ্র বাড়িতে,

যিনি বাঁকুড়ার প্রা’ক্তন বি’ধায়ক ছিলেন একসময়। সেখানে গিয়ে তার পরিবারের স’ঙ্গে কথা বলে আসেন। এরপর তিনি সেই জেলার তৃ’ণমূল ভবনেও অ’ভিযান করেন

এবং সেখানে গিয়ে একটি সাং’বাদিক স’ম্মেলন করেন, যেখানে তিনি তার সি’নেমার “আওয়ারা” একটি খুব জনপ্রি’য় ডায়লগ দেন ” মার গু’ড় দিয়ে রুটি চিনি দিয়ে চা ফু দিয়ে খা”

এ তো গেল সি’নেমার ডায়লগ, এর সাথে তিনি রা’জনৈতিক ম’ঞ্চে এক লাইন জুড়ে দিলেন তাল মিলিয়ে বললেন “বিজেপি রাজ্য থেকে তাড়াতাড়ি পাততাড়ি গোটা খেলা হবে খেলা হবে”

তবে এই প্র’চার করতে বেরিয়ে সায়’ন্তিকা প্র’চুর মানুষের আ’শীর্বাদ পেয়েছেন।

মানুষ তাকে ঘরের মেয়ে হিসেবে মেনে নিয়েছে, জনস্রো’তে ভাসছেন সায়’ন্তিকা। যার জন্য ছবিও ইন’স্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন অ’ভিনেত্রী

এবং সেখানে জানিয়েছেন যে তিনি আ’প্লুত হয়েছেন বাঁ’কুড়া বাসীদের ভালোবাসা ও আ’শীর্বাদে।

যদিও সায়ন্তি’কা বাঁকুড়ায় প্র’চার করতে গিয়ে বি’ভীষণ হাঁসদার বাড়িতে যান এবং সেখানে তাঁকে প্রতিশ্রু’তি দেন তিনি জিতলেই অসু’স্থ মেয়ের চিকি’ৎসার দায়ি’ত্ব তিনি নেবেন।

কারণ বিভীষণ হাসদার মেয়ে রচনা হাই ব্লা’ড সুগারে আক্রা’ন্ত, তার চিকি’ৎসার জ’ন্য যা প্র’য়োজন তা কিছুরই ক্ষ’মতা নেই বি’ভীষণের।

বি’ভীষণ হাসদা হল সেই ব্য’ক্তি যার বাড়িতে অমিত সহ বাঁকুড়া সফরে গিয়ে তার বাড়িতে মধ্যা’হ্নভোজ সারেন।

মেয়ের চিকিৎসার কথা তিনি অমিত সাহাকে জানালেও বিভিন্ন প্রতিশ্রু’তি দিলেও শেষে কোনো কাজ হয়নি।

কিন্তু এদিন সায়ন্তি’কা অব’শ্যই গেলেন তার বাড়ি এবং তার পাশে থাকার আ’শ্বাস দিয়েছেন।