“একটু হরলিক্স দাও মা চেটে চেটে খাবো”, এই ডাইলগেই জনপ্রিয় হয়েছি শিকার করলেন সোহম চক্রবর্তী

0

বর্তমানে বিনোদের আরেক নাম সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা আরো দুটি নামে চিনি যথা নেট মাধ্যম এবং নেট দুনিয়া। বর্তমানে এই সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আমার বর্তমান জীবনে একেবারেই অচল।

সোশ্যাল মিডিয়া বা নেট দুনিয়ার মাধ্যমেই আমরা বর্তমানে খেলাধুলা থেকে শুরু করে সিনেমা পর্যন্ত সকল মনোরঞ্জন মূলক বিষয়গুলি নিমিষে উপভোগ করতে পারি। এমনকি বিভিন্ন প্রাকৃতিক খবরাখবর নিমিষেই জেনে যেতে পারি এই নেট মাধ্যমের ফলে।

এক কথায় বলতে গেলে বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ অবদান গুলির মধ্যে অন্যতম এই সোশ্যাল মিডিয়া। এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই বহু প্রতিভাবান মানুষ তাদের প্রতিভা সকলের কাছে তুলে ধরেন। এই মাধ্যমের ফলে আমরা রানু মন্ডল, বিপাশা দাস সহ চাঁদমনি হেমব্রমকে আমাদের মাঝে পেয়েছি।

এক কথায় বলতে গেলে এই সোশ্যাল মিডিয়া বা নেট মাধ্যম বা নেট দুনিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। আজ আমরা জনপ্রিয় টলি অভিনেতা সোহমকে নিয়ে কথা বলবো। সম্প্রতি জন্মদিন গেছে টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর।

প্রিয় পরিচালকের জন্মদিনে স্মৃতিচারণা করতে দেখা গিয়েছে টলিউডের প্রথম সারির একাধিক ব্যক্তিত্বকে। সেই তালিকায় এবার নাম লেখালেন টলিউড অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। জানালেন কিভাবে পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

অভিনেতা জানিয়েছেন বাবার হাত ধরে অঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথম দেখাতেই সোহমকে ‘ছোট বউ’ সিনেমার জন্য পছন্দ করে নেন পরিচালক। এরপর তাঁর লেখা ডায়লগ ‘একটু হরলিক্স দাওনা মা, চেটে চেটে খাবো’ বলেই তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী।

এদিন অভিনেতা স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে জানিয়েছেন তার অভিনয় শুরু অঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে পরিচালকের সঙ্গে অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তার। যে কারণে অঞ্জন চৌধুরীর বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতেন অভিনেতা।

পরিচালকের একাধিক পোষ্যের সঙ্গেও তার দারুণ ভাব জমে উঠেছিল। সোহম মনে করেন অঞ্জন চৌধুরী আজ বেঁচে থাকলে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অনেক উন্নতি সাধন করতে পারতেন। পাশাপাশি মাস্টার বিট্টু নয় বরং নায়ক সোহম হিসেবেও অঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা ছিল তার।

কিন্তু পরিচালকের অকাল প্রয়াণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন অঞ্জন চৌধুরীর আশীর্বাদ না থাকলে তিনি এতটা সফল হয়ে উঠতে ব্যর্থ হতেন।